ঢাকা   বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বন্দরে অপরাধী রাজুকে বাঁচাতে ভিন্নখাতে নেওয়ার অপচেষ্টা



বন্দরে অপরাধী রাজুকে বাঁচাতে ভিন্নখাতে নেওয়ার অপচেষ্টা

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি অস্ত্র ছিনতাইসহ একাধিক মামলার দুর্ধর্ষ আসামি শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর অপকর্ম যেন থামছেই না। এবার তাদের গ্রেফতারকৃত ক্যাডার রাজুকে রক্ষা করতে এবং নিজেদের করা চাঁদাবাজির ঘটনা ধামাচাপা দিতে এক অসহায় নারীকে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজানোর গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সিফাত বাহিনী অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে কিছু মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

‎ভুক্তভোগী নাজমা বেগমের স্বামী শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় সিফাত বাহিনী কয়েক দফায় তাদের বাড়িতে বর্বরোচিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ জুন (রোববার) বিকেলে সিফাত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ইমন ও রাজুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী পুনরায় শফিকুলের বাড়িতে হামলা করে। 

‎হামলার পর মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী ধাওয়া করে সিফাতের প্রধান সহযোগী রাজুকে পাকড়াও করে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। মূলত জনরোষের ভয়েই সিফাত বাহিনীর বাকি সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। 

‎অভিযোগ উঠেছে, রাজু গ্রেফতার হওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে এবং মূল ঘটনা আড়াল করতে সিফাত বাহিনী এখন নাজমা বেগমকে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে প্রচার করছে। তারা দাবি করার চেষ্টা করছে যে, ঘটনাটি মাদক সংক্রান্ত। শফিকুল ইসলাম অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেন, “আমার স্ত্রী কোনো দিন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল না। মূলত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এবং রাজু ধরা পড়ায় তারা এখন আমাদের সামাজিকভাবে ধ্বংস করতে এই জঘন্য মিথ্যাচার করছে। রাজুর সাথে আমাদের কোনো লেনদেনও নেই। সিফাত তার ক্যাডারদের বাঁচাতে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ করাচ্ছে।”

‎শফিকুল ইসলাম আরও জানান, সিফাত বাহিনীর আতঙ্কে তাঁদের পুরো পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি বন্দর থানা পুলিশের প্রতি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানান। চাঁদাবাজ সিফাত বাহিনী মিথ্যা অপপ্রচার করে পার পেয়ে যেতে না পারে। 

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬


বন্দরে অপরাধী রাজুকে বাঁচাতে ভিন্নখাতে নেওয়ার অপচেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি অস্ত্র ছিনতাইসহ একাধিক মামলার দুর্ধর্ষ আসামি শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর অপকর্ম যেন থামছেই না। এবার তাদের গ্রেফতারকৃত ক্যাডার রাজুকে রক্ষা করতে এবং নিজেদের করা চাঁদাবাজির ঘটনা ধামাচাপা দিতে এক অসহায় নারীকে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজানোর গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সিফাত বাহিনী অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে কিছু মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। 


‎ভুক্তভোগী নাজমা বেগমের স্বামী শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় সিফাত বাহিনী কয়েক দফায় তাদের বাড়িতে বর্বরোচিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ জুন (রোববার) বিকেলে সিফাত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ইমন ও রাজুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী পুনরায় শফিকুলের বাড়িতে হামলা করে। 

‎হামলার পর মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী ধাওয়া করে সিফাতের প্রধান সহযোগী রাজুকে পাকড়াও করে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। মূলত জনরোষের ভয়েই সিফাত বাহিনীর বাকি সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। 

‎অভিযোগ উঠেছে, রাজু গ্রেফতার হওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে এবং মূল ঘটনা আড়াল করতে সিফাত বাহিনী এখন নাজমা বেগমকে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে প্রচার করছে। তারা দাবি করার চেষ্টা করছে যে, ঘটনাটি মাদক সংক্রান্ত। শফিকুল ইসলাম অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেন, “আমার স্ত্রী কোনো দিন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল না। মূলত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এবং রাজু ধরা পড়ায় তারা এখন আমাদের সামাজিকভাবে ধ্বংস করতে এই জঘন্য মিথ্যাচার করছে। রাজুর সাথে আমাদের কোনো লেনদেনও নেই। সিফাত তার ক্যাডারদের বাঁচাতে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ করাচ্ছে।”

‎শফিকুল ইসলাম আরও জানান, সিফাত বাহিনীর আতঙ্কে তাঁদের পুরো পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি বন্দর থানা পুলিশের প্রতি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানান। চাঁদাবাজ সিফাত বাহিনী মিথ্যা অপপ্রচার করে পার পেয়ে যেতে না পারে। 


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত