ঢাকা   সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় ডুবছে সাতঘরিয়া পাড়ার একমাত্র সড়ক, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী


আজিজুর রহমান
আজিজুর রহমান
| ফটো কার্ড

সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় ডুবছে সাতঘরিয়া পাড়ার একমাত্র সড়ক, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে পানির নিচে তলিয়ে গেছে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে নয়াবাজারের পশ্চিম ও পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ার শত শত মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়ক। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই সড়কটি পানিতে ডুবে যায়। বর্তমানে রাস্তার এমন বেহাল অবস্থা যে এটি রাস্তা নাকি খাল-বিল, তা বোঝাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানির সঙ্গে ভেসে আসা ময়লা-আবর্জনা জমে থেকে কাদা ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা। প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে তাদের। অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের মতে, একটি জনবহুল এলাকার প্রধান সড়ক যদি সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, তবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির ঘাটতিরই প্রতিফলন। তাই জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬


সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় ডুবছে সাতঘরিয়া পাড়ার একমাত্র সড়ক, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে পানির নিচে তলিয়ে গেছে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে নয়াবাজারের পশ্চিম ও পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ার শত শত মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়ক। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই সড়কটি পানিতে ডুবে যায়। বর্তমানে রাস্তার এমন বেহাল অবস্থা যে এটি রাস্তা নাকি খাল-বিল, তা বোঝাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানির সঙ্গে ভেসে আসা ময়লা-আবর্জনা জমে থেকে কাদা ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা। প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে তাদের। অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের মতে, একটি জনবহুল এলাকার প্রধান সড়ক যদি সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, তবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির ঘাটতিরই প্রতিফলন। তাই জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত