ঢাকা   শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ



প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা বাঁশখালী, হাটহাজারী ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তুতি নিখুঁত করতে প্রতিদিনই এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছুটছেন তিনি।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক। কোথাও মঞ্চ ও প্যান্ডেলের নির্মাণকাজ, কোথাও পুনর্বাসন ঘরের মান, আবার কোথাও নিরাপত্তা, প্রটোকল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি।

আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কথা রয়েছে। সফরে তিনি সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর মানুষের খোঁজখবর নেবেন। বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তরের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। হাটহাজারীতেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বিকেলে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ভিআইপি টার্মিনাল, রানওয়েসংলগ্ন এলাকা, নিরাপত্তাচত্বর এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নির্বিঘ্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রস্তুতিতে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ছুটে যান হাটহাজারীতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি।

প্রথমে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন জেলা প্রশাসক। প্রধানমন্ত্রী যেসব স্থান পরিদর্শন করবেন, সেসব স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী যেখানে অবস্থান করবেন, জেলা পরিষদের সেই ডাকবাংলোর সংস্কারকাজ তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। সেখানে চলমান সংস্কারকাজের অগ্রগতি, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।

সবশেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই কলেজেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মঞ্চ নির্মাণ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় প্রশাসনকে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ভিভিআইপি সফরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগের দিন বুধবারও বাঁশখালীতে দিনভর প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর দেখতে যান জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজ নেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে।

নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মানও পরীক্ষা করেন জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা বাঁশখালী, হাটহাজারী ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তুতি নিখুঁত করতে প্রতিদিনই এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছুটছেন তিনি।


জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক। কোথাও মঞ্চ ও প্যান্ডেলের নির্মাণকাজ, কোথাও পুনর্বাসন ঘরের মান, আবার কোথাও নিরাপত্তা, প্রটোকল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি।


আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কথা রয়েছে। সফরে তিনি সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর মানুষের খোঁজখবর নেবেন। বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তরের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। হাটহাজারীতেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।


বিকেলে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ভিআইপি টার্মিনাল, রানওয়েসংলগ্ন এলাকা, নিরাপত্তাচত্বর এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নির্বিঘ্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রস্তুতিতে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।


বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ছুটে যান হাটহাজারীতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি।


প্রথমে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন জেলা প্রশাসক। প্রধানমন্ত্রী যেসব স্থান পরিদর্শন করবেন, সেসব স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি।


পরে প্রধানমন্ত্রী যেখানে অবস্থান করবেন, জেলা পরিষদের সেই ডাকবাংলোর সংস্কারকাজ তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। সেখানে চলমান সংস্কারকাজের অগ্রগতি, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।


সবশেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই কলেজেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মঞ্চ নির্মাণ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় প্রশাসনকে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ভিভিআইপি সফরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।


এর আগের দিন বুধবারও বাঁশখালীতে দিনভর প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।


দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।


অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর দেখতে যান জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজ নেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে।


নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মানও পরীক্ষা করেন জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।


জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”


পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত