ঢাকা   রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

ফুটপাত দখল করলে ছাড় নেই: চট্টগ্রামে ২০০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ


এনামুল হক রাশেদী
এনামুল হক রাশেদী
| ফটো কার্ড

ফুটপাত দখল করলে ছাড় নেই: চট্টগ্রামে ২০০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ
চট্টগ্রামে ২০০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট মোড় থেকে ওমর চাঁদ রোড হয়ে সদরঘাট রোড পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ ভাসমান ও টং দোকান উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। রবিবার দুপুরে নগরীর যানজট নিরসন ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের বিস্তারিত

চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. সোয়েব উদ্দিন খানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা প্রায় ২০০টি অবৈধ স্থাপনা ও টং দোকান গুড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানের ফলে দীর্ঘ দিন ধরে দখলে থাকা ফুটপাত ও সড়কগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযানে পেশোয়ার দালিম হোটেলের সামনে নালার ওপর অবৈধভাবে স্থাপিত একটি লোহার অ্যাঙ্গেল অপসারণ ও জব্দ করা হয়েছে। ওমর চাঁদ রোডে ফুটপাত দখল করে রাখা সাইকেলগুলো দ্রুত সরিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের মাইকিং করে সতর্ক করা হয় এবং সাইকেল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দকে ফুটপাতে পণ্য না রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় অভিযান

চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় নগরীর ফুটপাত ও সড়কগুলো দখলমুক্ত করতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ স্থাপনার কারণে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “নগরের কোনো ফুটপাত বা সড়ক অবৈধভাবে দখল করতে দেওয়া হবে না। উচ্ছেদের পর পুনরায় দখলের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ওমর চাঁদ রোডের ফুটপাতে পুনরায় সাইকেল রাখা হলে মামলাসহ আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে।”

ভবিষ্যতেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি জানান।

জনসাধারণের স্বস্তি ও হকারদের ক্ষোভ

চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমদ জানান, অবৈধ দখলদারদের কারণে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল এবং যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। অভিযানটি সেই জনদুর্ভোগ লাঘব করতেই পরিচালনা করা হয়েছে।

তবে উচ্ছেদ হওয়া কয়েকজন হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেন, তারা হকার সমিতির মাধ্যমে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ এই অভিযান পরিচালনা করায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


ফুটপাত দখল করলে ছাড় নেই: চট্টগ্রামে ২০০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট মোড় থেকে ওমর চাঁদ রোড হয়ে সদরঘাট রোড পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ ভাসমান ও টং দোকান উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। রবিবার দুপুরে নগরীর যানজট নিরসন ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের বিস্তারিত

চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. সোয়েব উদ্দিন খানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা প্রায় ২০০টি অবৈধ স্থাপনা ও টং দোকান গুড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানের ফলে দীর্ঘ দিন ধরে দখলে থাকা ফুটপাত ও সড়কগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযানে পেশোয়ার দালিম হোটেলের সামনে নালার ওপর অবৈধভাবে স্থাপিত একটি লোহার অ্যাঙ্গেল অপসারণ ও জব্দ করা হয়েছে। ওমর চাঁদ রোডে ফুটপাত দখল করে রাখা সাইকেলগুলো দ্রুত সরিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের মাইকিং করে সতর্ক করা হয় এবং সাইকেল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দকে ফুটপাতে পণ্য না রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় অভিযান

চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় নগরীর ফুটপাত ও সড়কগুলো দখলমুক্ত করতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ স্থাপনার কারণে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “নগরের কোনো ফুটপাত বা সড়ক অবৈধভাবে দখল করতে দেওয়া হবে না। উচ্ছেদের পর পুনরায় দখলের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ওমর চাঁদ রোডের ফুটপাতে পুনরায় সাইকেল রাখা হলে মামলাসহ আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে।”

ভবিষ্যতেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি জানান।

জনসাধারণের স্বস্তি ও হকারদের ক্ষোভ

চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমদ জানান, অবৈধ দখলদারদের কারণে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল এবং যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। অভিযানটি সেই জনদুর্ভোগ লাঘব করতেই পরিচালনা করা হয়েছে।

তবে উচ্ছেদ হওয়া কয়েকজন হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেন, তারা হকার সমিতির মাধ্যমে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ এই অভিযান পরিচালনা করায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানান।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত