ঢাকা   শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সড়কে বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা ডিসের (ক্যাবল) তারে গলা পেঁচিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত তরুণের নাম মৃদুল হাসান (১৬)।শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার রায়েদ বাজার থেকে পাচুয়া এলাকায় আসার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিচয়নিহত মৃদুল হাসান কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়নের দেওনা এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) আমজাদ হোসেন ও লিপি আক্তার দম্পতির ছেলে। তিন ভাইবোনের মধ্যে মৃদুল সবার ছোট। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে সে মাত্রই ফল প্রকাশের অপেক্ষায় ছিল। দুর্ঘটনা যেভাবে ঘটলস্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় মৃদুল মোটরসাইকেল চালিয়ে রায়েত বাজার এলাকা থেকে পাচুয়া এলাকার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে সড়কের ওপর বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা একটি ডিসের তার হঠাৎ করেই তার গলায় পেঁচিয়ে যায়। তারের টানে সে তাৎক্ষণিকভাবে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।পরীক্ষা শেষ করা এক তরতাজা তরুণের এমন আকস্মিক ও নৃশংস মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। পুলিশের বক্তব্য ও আইনগত ব্যবস্থাএ ব্যাপারে কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমদ জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সড়কের ওপর ক্যাবল অপারেটরদের ঝুলন্ত তার এবং মোটরবাইকের গতি বেশি থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সড়ক সুরক্ষায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক তারের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব উত্তরে এনসিপি’র বিশাল জনসভা: সরব নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাট ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে এক অঘোষিত 'সমঝোতা সিন্ডিকেট' গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক আদর্শে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিলেও, হাট ইজারার ভাগাভাগিতে দুই দলের নেতাদের মধ্যে রয়েছে চমৎকার মিল। এই সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সমঝোতার নেপথ্যে ‘কমিশন বাণিজ্য’অনুসন্ধানে জানা যায়, ফতুল্লা ডিআইটি মাঠের পর এবার সদর উপজেলার ১৩টি পশুর হাটেই এই সমঝোতা কার্যকর হয়েছে। কোথাও বিএনপি ও এনসিপি নেতারা পার্টনার হিসেবে কাজ করছেন, আবার কোথাও ১০ থেকে ১২ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে রফাদফা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, সদর উপজেলার ১৩টি হাটের সবকটির বিপরীতেই এনসিপি নেতারা দরপত্র কিনেছিলেন। কিন্তু পরে সমঝোতা হওয়ায় অন্য কোনো প্রতিযোগী দরপত্র জমা দিতে সাহস পাননি। যেমন:আলীগঞ্জ হাট: এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ১০ শতাংশ কমিশনের চুক্তি হয়েছে।অন্যান্য হাট: গোগনগর বাড়িরটেক, তালতলা, সাইনবোর্ড ও ভূইগড় সোনালী সংসদ হাটেও ১০-১২ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে সমঝোতা হয়েছে।পার্টনারশিপ: কাশীপুর, বক্তাবলী ও মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন হাটে বিএনপি নেতারা সরাসরি টাকা লগ্নি করে অংশীদার হয়েছেন।একক দরপত্রে ইজারার চিত্রসিন্ডিকেটের প্রভাব এতটাই স্পষ্ট যে, ১৩টি হাটের মধ্যে ৭টিতে মাত্র একটি করে দরপত্র জমা পড়েছে। দুটি হাটে একাধিক দরপত্র জমা পড়লেও তা ছিল 'সাজানো'। সরকারি মূল্যের চেয়ে নামমাত্র বেশিতে হাটগুলো ইজারা নেওয়া হয়েছে। কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:হাটের নামসরকারি সর্বনিম্ন দর (টাকা)ইজারার দর (টাকা)ব্যবধানসাইনবোর্ড শান্তিধারা১৬,৫০,০০০১৬,৭৫,০০০২৫,০০০গোগনগর বাড়িরটেক৭,৫০,০০০৭,৬০,০০০১০,০০০অফসার ওয়েল মিল সংলগ্ন৭,০৫,০০০৭,৫০,০০০৪৫,০০০মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন২,৪২,৫০০২,৬০,০০০১৭,৫০০বক্তাবলী বাজার সংলগ্ন১,৭০,০০০১,৭৫,০০০৫,০০০নেপথ্যে কার কলকাঠি?অভিযোগ রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এনসিপি নেতা তরিকুল মূলত এসব হাটের দেখভাল করছেন। টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরুর আগে বিএনপি ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়। ফতুল্লা ডিআইটি মাঠের ইজারা নিয়ে শুরুতে ৩০ শতাংশ কমিশন দাবি করলেও, পরে তা ১০ শতাংশে নেমে আসে। সমঝোতার অভাবে ২১ এপ্রিল বক্তাবলীর রাজাপুর খেয়াঘাটের দরপত্র নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটলেও, পশুর হাটের ক্ষেত্রে সমঝোতাই শেষ পর্যন্ত প্রাধান্য পেয়েছে।বিএনপি নেতারা জানান, রোজার ঈদ থেকেই তারা হাটগুলোর জন্য বিনিয়োগ করে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এনসিপি নেতাদের বোঝানো হয় যে, বিএনপি হাট না পেলে এনসিপি নিজেরা সেটি পরিচালনা করতে পারবে না। এই যুক্তিতেই শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয়।বিশ্লেষণরাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এভাবে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই ইজারা সম্পন্ন হওয়ায় সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ ব্যবসায়ীরা দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাট ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে এক অঘোষিত 'সমঝোতা সিন্ডিকেট' গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক আদর্শে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিলেও, হাট ইজারার ভাগাভাগিতে দুই দলের নেতাদের মধ্যে রয়েছে চমৎকার মিল। এই সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সমঝোতার নেপথ্যে ‘কমিশন বাণিজ্য’অনুসন্ধানে জানা যায়, ফতুল্লা ডিআইটি মাঠের পর এবার সদর উপজেলার ১৩টি পশুর হাটেই এই সমঝোতা কার্যকর হয়েছে। কোথাও বিএনপি ও এনসিপি নেতারা পার্টনার হিসেবে কাজ করছেন, আবার কোথাও ১০ থেকে ১২ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে রফাদফা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, সদর উপজেলার ১৩টি হাটের সবকটির বিপরীতেই এনসিপি নেতারা দরপত্র কিনেছিলেন। কিন্তু পরে সমঝোতা হওয়ায় অন্য কোনো প্রতিযোগী দরপত্র জমা দিতে সাহস পাননি। যেমন:আলীগঞ্জ হাট: এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ১০ শতাংশ কমিশনের চুক্তি হয়েছে।অন্যান্য হাট: গোগনগর বাড়িরটেক, তালতলা, সাইনবোর্ড ও ভূইগড় সোনালী সংসদ হাটেও ১০-১২ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে সমঝোতা হয়েছে।পার্টনারশিপ: কাশীপুর, বক্তাবলী ও মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন হাটে বিএনপি নেতারা সরাসরি টাকা লগ্নি করে অংশীদার হয়েছেন।একক দরপত্রে ইজারার চিত্রসিন্ডিকেটের প্রভাব এতটাই স্পষ্ট যে, ১৩টি হাটের মধ্যে ৭টিতে মাত্র একটি করে দরপত্র জমা পড়েছে। দুটি হাটে একাধিক দরপত্র জমা পড়লেও তা ছিল 'সাজানো'। সরকারি মূল্যের চেয়ে নামমাত্র বেশিতে হাটগুলো ইজারা নেওয়া হয়েছে। কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:হাটের নামসরকারি সর্বনিম্ন দর (টাকা)ইজারার দর (টাকা)ব্যবধানসাইনবোর্ড শান্তিধারা১৬,৫০,০০০১৬,৭৫,০০০২৫,০০০গোগনগর বাড়িরটেক৭,৫০,০০০৭,৬০,০০০১০,০০০অফসার ওয়েল মিল সংলগ্ন৭,০৫,০০০৭,৫০,০০০৪৫,০০০মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন২,৪২,৫০০২,৬০,০০০১৭,৫০০বক্তাবলী বাজার সংলগ্ন১,৭০,০০০১,৭৫,০০০৫,০০০নেপথ্যে কার কলকাঠি?অভিযোগ রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এনসিপি নেতা তরিকুল মূলত এসব হাটের দেখভাল করছেন। টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরুর আগে বিএনপি ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়। ফতুল্লা ডিআইটি মাঠের ইজারা নিয়ে শুরুতে ৩০ শতাংশ কমিশন দাবি করলেও, পরে তা ১০ শতাংশে নেমে আসে। সমঝোতার অভাবে ২১ এপ্রিল বক্তাবলীর রাজাপুর খেয়াঘাটের দরপত্র নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটলেও, পশুর হাটের ক্ষেত্রে সমঝোতাই শেষ পর্যন্ত প্রাধান্য পেয়েছে।বিএনপি নেতারা জানান, রোজার ঈদ থেকেই তারা হাটগুলোর জন্য বিনিয়োগ করে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এনসিপি নেতাদের বোঝানো হয় যে, বিএনপি হাট না পেলে এনসিপি নিজেরা সেটি পরিচালনা করতে পারবে না। এই যুক্তিতেই শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয়।বিশ্লেষণরাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এভাবে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই ইজারা সম্পন্ন হওয়ায় সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ ব্যবসায়ীরা দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে -আবদুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাট ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে এক অঘোষিত 'সমঝোতা সিন্ডিকেট' গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক আদর্শে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিলেও, হাট ইজারার ভাগাভাগিতে দুই দলের নেতাদের মধ্যে রয়েছে চমৎকার মিল। এই সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সমঝোতার নেপথ্যে ‘কমিশন বাণিজ্য’অনুসন্ধানে জানা যায়, ফতুল্লা ডিআইটি মাঠের পর এবার সদর উপজেলার ১৩টি পশুর হাটেই এই সমঝোতা কার্যকর হয়েছে। কোথাও বিএনপি ও এনসিপি নেতারা পার্টনার হিসেবে কাজ করছেন, আবার কোথাও ১০ থেকে ১২ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে রফাদফা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, সদর উপজেলার ১৩টি হাটের সবকটির বিপরীতেই এনসিপি নেতারা দরপত্র কিনেছিলেন। কিন্তু পরে সমঝোতা হওয়ায় অন্য কোনো প্রতিযোগী দরপত্র জমা দিতে সাহস পাননি। যেমন:আলীগঞ্জ হাট: এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ১০ শতাংশ কমিশনের চুক্তি হয়েছে।অন্যান্য হাট: গোগনগর বাড়িরটেক, তালতলা, সাইনবোর্ড ও ভূইগড় সোনালী সংসদ হাটেও ১০-১২ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে সমঝোতা হয়েছে।পার্টনারশিপ: কাশীপুর, বক্তাবলী ও মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন হাটে বিএনপি নেতারা সরাসরি টাকা লগ্নি করে অংশীদার হয়েছেন।একক দরপত্রে ইজারার চিত্রসিন্ডিকেটের প্রভাব এতটাই স্পষ্ট যে, ১৩টি হাটের মধ্যে ৭টিতে মাত্র একটি করে দরপত্র জমা পড়েছে। দুটি হাটে একাধিক দরপত্র জমা পড়লেও তা ছিল 'সাজানো'। সরকারি মূল্যের চেয়ে নামমাত্র বেশিতে হাটগুলো ইজারা নেওয়া হয়েছে। কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:হাটের নামসরকারি সর্বনিম্ন দর (টাকা)ইজারার দর (টাকা)ব্যবধানসাইনবোর্ড শান্তিধারা১৬,৫০,০০০১৬,৭৫,০০০২৫,০০০গোগনগর বাড়িরটেক৭,৫০,০০০৭,৬০,০০০১০,০০০অফসার ওয়েল মিল সংলগ্ন৭,০৫,০০০৭,৫০,০০০৪৫,০০০মার্কাজ মসজিদ সংলগ্ন২,৪২,৫০০২,৬০,০০০১৭,৫০০বক্তাবলী বাজার সংলগ্ন১,৭০,০০০১,৭৫,০০০৫,০০০নেপথ্যে কার কলকাঠি?অভিযোগ রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এনসিপি নেতা তরিকুল মূলত এসব হাটের দেখভাল করছেন। টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরুর আগে বিএনপি ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়। ফতুল্লা ডিআইটি মাঠের ইজারা নিয়ে শুরুতে ৩০ শতাংশ কমিশন দাবি করলেও, পরে তা ১০ শতাংশে নেমে আসে। সমঝোতার অভাবে ২১ এপ্রিল বক্তাবলীর রাজাপুর খেয়াঘাটের দরপত্র নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটলেও, পশুর হাটের ক্ষেত্রে সমঝোতাই শেষ পর্যন্ত প্রাধান্য পেয়েছে।বিএনপি নেতারা জানান, রোজার ঈদ থেকেই তারা হাটগুলোর জন্য বিনিয়োগ করে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এনসিপি নেতাদের বোঝানো হয় যে, বিএনপি হাট না পেলে এনসিপি নিজেরা সেটি পরিচালনা করতে পারবে না। এই যুক্তিতেই শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয়।বিশ্লেষণরাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এভাবে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই ইজারা সম্পন্ন হওয়ায় সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ ব্যবসায়ীরা দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

ছাতকে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা: ৫ গ্রামের বাসিন্দাদের ঐক্যবদ্ধ ঘোষণা

ছাতকে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা: ৫ গ্রামের বাসিন্দাদের ঐক্যবদ্ধ ঘোষণা

বন্দর উত্তর থানা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

বন্দর উত্তর থানা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

দুমকীতে র‌্যাব-৮ এর অভিযান: ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

দুমকীতে র‌্যাব-৮ এর অভিযান: ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

পটুয়াখালীতে ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

পটুয়াখালীতে ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মতলব উত্তরে এনসিপি’র বিশাল জনসভা: সরব নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম

মতলব উত্তরে এনসিপি’র বিশাল জনসভা: সরব নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে -আবদুল জব্বার

ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে -আবদুল জব্বার

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

মিয়া গোলাম পরওয়ার রচিত ৫টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

১৩ মে বুধবার রাজধানীর প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার রচিত পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বইগুলোর লেখক মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল, এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর আব্দুল জব্বার, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রচ্ছদ প্রকাশনীর চেয়ারম্যান রাজিফুল হাসান বাপ্পি ও সিইও শাহমুন নাকীব ফারাবিসহ বিপুলসংখ্যক সুধী।প্রকাশিত বইগুলো হলো- ১. লৌহকপাটের অন্যজীবন২. মুমিনের জীবনে নিয়ামত ও মুসিবত ৩. কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪. ঈমানের উন্নতি ৫. মুমিনের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার সালাত ও সবর

বন্দর উত্তর থানা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উত্তর থানা জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে এক জমকালো ঈদ পুনর্মিলনী,মৌসুমী ফল উৎসব ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত  হয়েছে।​ ৫ জুন (শুক্রবার) বাদ আসর বন্দর ২৭নং ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া খেলার মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে নৈতিক চরিত্র গঠনে উদ্বুদ্ধ করতেই মূলত এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী যুব বিভাগের সভাপতি ও মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন।​তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন ​"তরুণ সমাজই একটি দেশের মূল চালিকাশক্তি। সমাজ থেকে মাদক, কিশোর গ্যাং ও নৈতিক অবক্ষয় দূর করতে যুব সমাজকে খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের দিকে ধাবিত করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী একটি সুন্দর, সৎ ও দেশপ্রেমিক তরুণ প্রজন্ম গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।"থানা যুব বিভাগের সভাপতি ও ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মহিউদ্দিন মিয়ার পরিচালনায় ​থানা আমীর মুফতী আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই ঈদ পুনর্মিলনী ও ফল উৎসবে আরও উপস্থিত ছিলেন ​থানা নায়েবে আমীর মো. রফিকুল ইসলাম, থানা সেক্রেটারি ও ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জহুরুল ইসলাম, ​২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমাইল ভূঁইয়া, উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমীর হোসাইন বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত যুব বিভাগের বিভিন্ন দায়িত্বশীলবৃন্দ। ​অনুষ্ঠানে স্থানীয় জামায়াত ও যুব বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন। প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার ও ফল উৎসবের ফল বিতরণ করেন। বক্তারা আগামী দিনেও যুব সমাজকে সাথে নিয়ে এ ধরনের ইতিবাচক ও সমাজ গঠনমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নবনির্মিত চার তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের প্রথম তলার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন, ২০২৬) দুপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন এই ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ১৪৫ শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিস্তারিতউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, "শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই নতুন একাডেমিক ভবন শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।"অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আলীমুজ্জামান। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষা ও প্রশাসনিক উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:আব্দুর রহিম দুলাল (আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)আবু রায়হান মো. আলবেরুনি (যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবাইদুল ইসলাম রাজন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজারুল ইসলাম মিস্টার, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহজাদা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।নতুন ভবন উদ্বোধনের খবরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আধুনিক এই ভবনের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

বীরগঞ্জে ভোগডোমা আশ্রয়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন এমপি মনজুরুল ইসলাম

বীরগঞ্জে ভোগডোমা আশ্রয়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন এমপি মনজুরুল ইসলাম

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে নবনির্মিত ‘ভোগডোমা আশ্রয়ণ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মনজুরুল ইসলাম।রবিবার (৩১ মে) বেলা ১১টায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিদ্যালয়টির অবকাঠামো ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমা খাতুন, বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এবং পাল্টাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম।এছাড়াও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তানভীর চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর জব্বার, উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শাহাজাহান সিরাজ শিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশরাফুলদ্দৌলা খান, পাল্টাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম আলীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের বিশেষ পরিকল্পনা ও উদ্যোগে এই বিদ্যালয়টি বাস্তব রূপ পেতে শুরু করেছে। বিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশেপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের কষ্ট লাঘব হবে। এতে করে বিশেষ করে ছাত্রীদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মনজুরুল ইসলাম বলেন, "বর্তমান সরকারের আমলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষের আবাসনের পাশাপাশি তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোগডোমা আশ্রয়ণের এই বিদ্যালয়টি চালু হলে অবহেলিত এই এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে এবং নতুন প্রজন্ম শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে গড়ে উঠবে।"স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জেলা প্রশাসকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও পরিকল্পনার এই বিদ্যালয় আশ্রয়ণ এলাকার মানুষের জন্য শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে ক্রীড়া, সংস্কৃতি, বিষয়ভিত্তিক কুইজ ও কাবিং প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া আদর্শ বালক/বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ফুটবল টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হালিমা বেগম, ৩৪ নং ডি এন রোড  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবাশিস রায় এবং ৪২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মৌসুমী দেবনাথ।অনুষ্ঠানে ৩৬ নং গলাচিপা বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোট ১০টি পুরস্কার অর্জন করে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক মোঃ জলিল উদ্দিন, বিপ্লব চন্দ্র দাস, তানজিম হাসান, মোল্লা রনি আহমেদ, শংকর সাহা ও মুজাম্মেল হোসেন লিটনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী এবং অভিবাবকবৃন্দ ।শিক্ষকরা  বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আয়োজন শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতা বাড়াতে সহায়ক।

কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সড়কে বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা ডিসের (ক্যাবল) তারে গলা পেঁচিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত তরুণের নাম মৃদুল হাসান (১৬)।শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার রায়েদ বাজার থেকে পাচুয়া এলাকায় আসার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিচয়নিহত মৃদুল হাসান কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়নের দেওনা এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) আমজাদ হোসেন ও লিপি আক্তার দম্পতির ছেলে। তিন ভাইবোনের মধ্যে মৃদুল সবার ছোট। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে সে মাত্রই ফল প্রকাশের অপেক্ষায় ছিল। দুর্ঘটনা যেভাবে ঘটলস্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় মৃদুল মোটরসাইকেল চালিয়ে রায়েত বাজার এলাকা থেকে পাচুয়া এলাকার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে সড়কের ওপর বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা একটি ডিসের তার হঠাৎ করেই তার গলায় পেঁচিয়ে যায়। তারের টানে সে তাৎক্ষণিকভাবে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।পরীক্ষা শেষ করা এক তরতাজা তরুণের এমন আকস্মিক ও নৃশংস মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। পুলিশের বক্তব্য ও আইনগত ব্যবস্থাএ ব্যাপারে কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমদ জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সড়কের ওপর ক্যাবল অপারেটরদের ঝুলন্ত তার এবং মোটরবাইকের গতি বেশি থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সড়ক সুরক্ষায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক তারের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সড়কে বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা ডিসের (ক্যাবল) তারে গলা পেঁচিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত তরুণের নাম মৃদুল হাসান (১৬)।শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার রায়েদ বাজার থেকে পাচুয়া এলাকায় আসার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিচয়নিহত মৃদুল হাসান কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়নের দেওনা এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) আমজাদ হোসেন ও লিপি আক্তার দম্পতির ছেলে। তিন ভাইবোনের মধ্যে মৃদুল সবার ছোট। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে সে মাত্রই ফল প্রকাশের অপেক্ষায় ছিল। দুর্ঘটনা যেভাবে ঘটলস্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় মৃদুল মোটরসাইকেল চালিয়ে রায়েত বাজার এলাকা থেকে পাচুয়া এলাকার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে সড়কের ওপর বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা একটি ডিসের তার হঠাৎ করেই তার গলায় পেঁচিয়ে যায়। তারের টানে সে তাৎক্ষণিকভাবে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।পরীক্ষা শেষ করা এক তরতাজা তরুণের এমন আকস্মিক ও নৃশংস মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। পুলিশের বক্তব্য ও আইনগত ব্যবস্থাএ ব্যাপারে কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমদ জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সড়কের ওপর ক্যাবল অপারেটরদের ঝুলন্ত তার এবং মোটরবাইকের গতি বেশি থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সড়ক সুরক্ষায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক তারের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার রচিত ৫টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

মিয়া গোলাম পরওয়ার রচিত ৫টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

১৩ মে বুধবার রাজধানীর প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার রচিত পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বইগুলোর লেখক মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল, এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর আব্দুল জব্বার, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রচ্ছদ প্রকাশনীর চেয়ারম্যান রাজিফুল হাসান বাপ্পি ও সিইও শাহমুন নাকীব ফারাবিসহ বিপুলসংখ্যক সুধী।প্রকাশিত বইগুলো হলো- ১. লৌহকপাটের অন্যজীবন২. মুমিনের জীবনে নিয়ামত ও মুসিবত ৩. কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪. ঈমানের উন্নতি ৫. মুমিনের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার সালাত ও সবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শীতলক্ষ্যা নদী সহ দেশের সকল নদ-নদীকে দূষণ, দখল ও ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ ঘাটে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে পরিবেশবাদী সংগঠন পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।প্রতিবাদ সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী, মাঝি-মাল্লা, স্থানীয় বাসিন্দা এবং নদীপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শীতলক্ষ্যা নদীর বর্তমান অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা।সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাসুম আকন্দ, বিএনপি নেতা ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমন, মুস্তাকুর রহমান, নুরে আলম, সংগঠনের মহাসচিব মীযানুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক আব্দুল কাদির, সোনারগাঁ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আক্তার হাবিব, মাই টিভির নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. সুজন মিয়া এবং গোপালগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সোহাগ মিয়াসহ অন্যান্যরা।বক্তারা বলেন, একসময় শীতলক্ষ্যা নদীর স্বচ্ছ জল, প্রাণবন্ত পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ছিল এ অঞ্চলের মানুষের গর্ব। কিন্তু আজ শিল্পকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য, অবৈধ দখল এবং অপরিকল্পিত কার্যক্রমের কারণে নদীটি ধীরে ধীরে তার প্রাণশক্তি হারাচ্ছে। নদীর পানি দূষিত হওয়ার ফলে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে এবং নদীকেন্দ্রিক জীবিকা নির্বাহকারী হাজারো মানুষের জীবনও সংকটে পড়েছে।মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “নদীকে হত্যা করে কোনো উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। শীতলক্ষ্যা শুধু একটি নদী নয়, এটি এ অঞ্চলের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আমরা চাই প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।”আক্তার হাবিব বলেন, “বিশ্ব পরিবেশ দিবস বছরে একদিন আসে, কিন্তু পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের প্রতিদিনের। যদি আমরা এখনই নদী রক্ষায় সোচ্চার না হই, তাহলে আগামী প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। তাদের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ রেখে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদেরই।”আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “নদী দূষণ ও দখলের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। নদী রক্ষার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।”প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত মাঝি-মাল্লারা জানান, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া এবং দূষণের কারণে তাদের জীবন-জীবিকা আগের মতো নেই। তারা নদীকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।সভা থেকে বক্তারা শীতলক্ষ্যা নদীকে দূষণমুক্ত, দখলমুক্ত ও জীবন্ত নদী হিসেবে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা নদী রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।প্রতিবাদ সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে নদী রক্ষার শপথ নেন। তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় একটাই দাবি—“ আমার নদী আমার মা, দূষণ হতে দিবো না, আমার নদী আমার মা, দখল হতে দিবো না, নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে, নদী বাঁচলে ভবিষ্যৎ বাঁচবে।”

কোন পোস্ট নেই !
কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

কাপাসিয়ায় সড়কে ঝুলে থাকা ডিসের তারে গলা পেঁচিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সড়কে বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা ডিসের (ক্যাবল) তারে গলা পেঁচিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী এসএসসি পরীক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত তরুণের নাম মৃদুল হাসান (১৬)।শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার রায়েদ বাজার থেকে পাচুয়া এলাকায় আসার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিচয়নিহত মৃদুল হাসান কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়নের দেওনা এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) আমজাদ হোসেন ও লিপি আক্তার দম্পতির ছেলে। তিন ভাইবোনের মধ্যে মৃদুল সবার ছোট। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে সে মাত্রই ফল প্রকাশের অপেক্ষায় ছিল। দুর্ঘটনা যেভাবে ঘটলস্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় মৃদুল মোটরসাইকেল চালিয়ে রায়েত বাজার এলাকা থেকে পাচুয়া এলাকার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে সড়কের ওপর বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা একটি ডিসের তার হঠাৎ করেই তার গলায় পেঁচিয়ে যায়। তারের টানে সে তাৎক্ষণিকভাবে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।পরীক্ষা শেষ করা এক তরতাজা তরুণের এমন আকস্মিক ও নৃশংস মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। পুলিশের বক্তব্য ও আইনগত ব্যবস্থাএ ব্যাপারে কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমদ জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সড়কের ওপর ক্যাবল অপারেটরদের ঝুলন্ত তার এবং মোটরবাইকের গতি বেশি থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সড়ক সুরক্ষায় এমন ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক তারের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন রেকর্ড: এনসিটি-তে ইতিহাসের সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিং

চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন রেকর্ড: এনসিটি-তে ইতিহাসের সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিং

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নতুন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) একক মাসে সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে। সদ্য সমাপ্ত মে মাসে টার্মিনালটিতে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৯৬ টিইইউস (TEUs) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।সাফল্যের নেপথ্যে যে পরিসংখ্যানবন্দরের তথ্যমতে, মে মাসে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৮১ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। মোট হ্যান্ডলিংকৃত কনটেইনারের মধ্যে:আমদানিকৃত: ৫৯ হাজার ৮৫১ টিইইউসরপ্তানিকৃত: ৬৬ হাজার ৬৪৫ টিইইউসএর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৩৩ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং ছিল টার্মিনালটির আগের রেকর্ড। সেই রেকর্ড অতিক্রম করে মে মাসে নতুন এই সাফল্য অর্জিত হলো।দক্ষ ব্যবস্থাপনায় গতিশীল এনসিটিবন্দর পরিচালনা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান ‘চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড (সিডিডিএল)’-এর ব্যবস্থাপনায় এনসিটি-তে এই সাফল্যের জোয়ার এসেছে। সিডিডিএল ২০২৫ সালের ৭ জুলাই এনসিটি-র অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে টার্মিনালের কার্যক্রমে অভূতপূর্ব গতি এসেছে।বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জাহাজ পয়েন্ট, ডেলিভারি পয়েন্ট, অ্যাপ্রাইজ পয়েন্ট, সিএন্ডএফ শেড এবং গেট ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেওয়ায় কনটেইনার খালাস ও লোডিং কার্যক্রম আগের চেয়ে অনেক দ্রুততর হয়েছে।বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়াচট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ পার্সোনাল অফিসার মো. নাসির উদ্দিন বলেন, “এনসিটিতে একক মাসে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের এই নতুন রেকর্ড দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ ধরনের সাফল্য জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে আরও বেগবান করবে।”বন্দর বিশ্লেষকদের মতে, এই অর্জন দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে এবং সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বন্দর কর্তৃপক্ষের এমন দক্ষ ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বমানের সক্ষমতার নতুন শিখরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‎রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে সভা

‎‎সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে  আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারের একতারা রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ প্রাইভেট হসপিটাল মালিক সমিতির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাহবুব। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন ডাঃ নাসির আহম্মেদ।  মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সানিউল হাসান,  স্ত্রী রোগ/ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন,  ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার মোঃ নয়ন এবং মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান।‎অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  মোঃ মাহাবুব রহমান বলেন, মানুষের কাঁছে ও ঘরে ঘরে   উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকে আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এই সেমিনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।‎এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, পল্লী চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

কুমিল্লায় ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের নিয়ে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় ক্লাবফুট বা ‘মুগুর পা’ আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অভিভাবকদের নিয়ে এক বিশেষ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে নগরীর অর্ক কেয়ার সেন্টার সভা কক্ষে ‘ওয়াক ফর লাইফ’ প্রকল্পের আওতায় এই ‘প্যারেন্টস গ্রুপ মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়।বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউনাইটেড পারপাস-এর বাস্তবায়নে এবং মিরাকেলফিট-এর আর্থিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় প্রধান ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড পারপাস-এর ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর সুমিত বণিক। সভার কারিগরি সহযোগিতায় ছিলেন অর্ক কেয়ার সেন্টারের পনসেটি প্র্যাকটিশনার ও ফিজিওথেরাপিস্ট মো. তৌহিদুল ইসলাম।সভায় ১০ জন ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুর মোট ২০ জন অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ১২ জন নারী এবং ৮ জন পুরুষ ছিলেন। সেশনে শিশুদের নিয়মিত চিকিৎসা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যাতায়াত সমস্যা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মতো চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।সভার ফ্যাসিলিটেটর সুমিত বণিক অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ক্লাবফুট চিকিৎসায় ‘পনসেটি মেথড’ পুরো বিশ্বেই একটি স্বীকৃত, নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি। আমাদের ফিজিওথেরাপিস্টবৃন্দদ এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই সেবাদান করছেন। সঠিক সময়ে এই চিকিৎসা শুরু করা গেলে ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুরা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা অন্য যেকোনো স্বাভাবিক শিশুর মতোই নিজের পায়ে দাঁড়াতে, দৌড়াতে এবং স্কুলে যেতে পারে। তাই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। তবে এই চিকিৎসায় চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের চেয়েও সবচেয়ে বড় ভূমিকাটি পালন করেন পরিবারের মূল কারিগর—বাবা-মায়েরা।”পনসেটি প্র্যাকটিশনার ও ফিজিওথেরাপিস্ট মো. তৌহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “ক্লাবফুট চিকিৎসার এই দীর্ঘ যাত্রায় শিশুর জন্য পরিবারের সবার ভালোবাসা আর যত্ন হচ্ছে সবচেয়ে বড় ওষুধ। প্লাস্টার খোলার পর সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করানো এবং ব্রেস বা বিশেষ জুতা পরিয়ে রাখার কোনো বিকল্প নেই। অনেক সময় একটু সুস্থতা দেখলে বা শিশুর কান্নাকাটিতে মায়া করে অনেকেই চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখে দেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনাদের সামান্য অবহেলা বা অসচেতনতা আদরের শিশুটির সুন্দর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।"সভায় পনসেটি মেথড বা ক্লাবফুট চিকিৎসার ধাপগুলো অভিভাবকদের সহজভাবে বুঝিয়ে বলা হয়। অনেক সময় চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করে দিলে শিশুর পায়ের পাতা পুনরায় বেঁকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে—এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়। চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের মনে থাকা বিভিন্ন ভুল ধারণা দূর করতে ও ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে প্রশ্নোত্তর ও অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব পরিচালিত হয়।মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে অভিভাবকরা আক্ষেপ করে জানান, সমাজে ক্লাবফুট নিয়ে এখনো নানা ভুল ধারণা রয়েছে। বিশেষ করে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের প্রায়ই অযথা দোষারোপ ও কটু কথার শিকার হতে হয়। সমাজ থেকে এই নেতিবাচক মানসিকতা দূর করার পাশাপাশি, অভিভাবকগণ সব ধরনের কুসংস্কার পেছনে ফেলে সন্তানের চিকিৎসায় অবিচল থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।পরিশেষে, শিশুদের সুন্দর আগামীর জন্য 'ইউনাইটেড পারপাস'-এর চলমান সহায়তাগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে সভার সমাপ্তি করা হয়। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ক্লাবফুট সমস্যার সমাধান, সঠিক চিকিৎসার প্রসার এবং মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরিতে ‘ওয়াক ফর লাইফ’ প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করছে।

ডাক্তারদের খবর কেউ রাখেনা- এমপি মোহাম্মদ কামাল হোসাইন

​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে 'সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশন প্রতিরোধে সেফুরোক্সিম-এর ভূমিকা' শীর্ষক একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার এবং 'ডিএনডি এলাকার স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার' বিষয়ক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি বলেন, "ডাক্তারদের খবর কেউ ঠিকমতো রাখেন না। অথচ আমার নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষার পরেই ছিল স্বাস্থ্যসেবার স্থান। ডিএনডি এলাকার নানাবিধ সমস্যার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা অন্যতম একটি চ্যালেঞ্জ।"তিনি আরও বলেন, ডিএনডি এলাকার গত ২৬ বছরের তথ্য চেয়েছেন এবং এই অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দেন। সংসদ সদস্য আরও যোগ করেন, "আমাদের এডুকেশন এবং হেলথ সেক্টরে কাজ করতে হবে। আপনাদের এই ভালো উদ্যোগের সাথে আমি সবসময় থাকবো এবং সহযোগী হিসেবে আমাকে পাশে পাবেন।"ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর ডাঃ সোহেলুর রহমান। তিনি সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশন প্রতিরোধে 'সেফুরোক্সিম' ওষুধের কার্যকারিতা ও প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির উপদেষ্টা  ডাঃ আলী আশরাফ খান বলেন, সচেতনতা সবার জন্য জরুরি। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান যেন স্বাস্থ্য বিষয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা হয়। একইসাথে তিনি এমপি কামাল হোসেনকে ডিএনডি প্রজেক্ট ও সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় সহায়তা করার অনুরোধ জানান।সেমিনারে ডিএনডি এলাকার স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাঃ রেহনুমা মেহনাজ হোসাইন। তিনি ঢাকা-৪, ৫ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত ডিএনডি এলাকার স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডাঃ এম. এ. সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা সঠিক রেফারেল সিস্টেম চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।মদনপুর বারাকা হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর  ডাঃ আব্দুল মালেক বলেন, উন্নত দেশগুলোর মতো জিপি (GP) সেন্টার সিস্টেম চালু করা দরকার, যেখানে জরুরি রোগীদের রেফার করার আগে সঠিক বোর্ড কনসালটেশন থাকবে। এছাড়া হাসপাতালের সামনে যেন ট্রাফিক জ্যাম না থাকে সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ এলাইড হাসপাতালের এমডি ডা : বদরুদ্দোজা ও ফতুল্লা ডক্টরস ল্যাবের এমডি ডা: মোস্তাফিজুর রহমান। বিপিএল  লিমিটেডের সৌজন্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কোম্পানির ঔষধ 'টারবোক্লাভ' নিয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র রিজিওনাল সেলস এক্সিকিউটিভ মোঃ সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্ব সঞ্চালনা করেন ডাঃ মোঃ সাজ্জাত উল ইসলাম (দিপু) ও ডাঃ কামরুন নাহার পলি।পরিশেষে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা: মোহাম্মদ আরশাদ।

অসুস্থ শ্রমিক নেতাকে দেখতে গেলেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ-সভাপতি এবং নারায়ণগঞ্জ সদর দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি, প্রবীণ শ্রমিক নেতা আব্দুল মজিদ সিকদার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁর হৃদপিণ্ডে মোট চারটি রিং (স্টেন্ট) স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে গত ২২ এপ্রিল সফলভাবে তিনটি রিং স্থাপন করা হয়েছে। বাকি একটি রিং স্থাপনের জন্য আগামী ৯ মে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।অসুস্থ এই শ্রমিক নেতাকে দেখতে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁর বাসায় যান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর হোসাইন, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নুরুল আমিন, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সভাপতি হাফেজ আব্দুল মুমিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি জনাব আব্দুল মান্নান, জেলা সাধারণ সম্পাদক জনাব রেদুয়ানুল আজিম এবং মহানগরী কোষাধ্যক্ষ জনাব খোরশেদ আলম রবিন।নেতৃবৃন্দ তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন। তারা দেশবাসীর কাছে প্রবীণ এই শ্রমিক নেতার সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।